ডেমরা-যাত্রাবাড়ীর চাঁদাবাজিকে দাফন করে দেব-মো.ইবরাহীম
- আপলোড সময় : ০৯:৫১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৩১৬ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মো. ইবরাহীম বলেছেন, দায়িত্ব পেলে ডেমরা-যাত্রাবাড়ীর চাঁদাবাজিকে চিরতরে দাফন করা হবে। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে বাড়িঘর নির্মাণে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না এবং কোনো সরকারি অফিসে ঘুষ দিতে হবে না। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ডেমরা সারুলিয়ায় হাতপাখার নির্বাচনী জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মো.ইবরাহীম বলেন, দীর্ঘ ৫৪ বছরে ১২টি নির্বাচনে এ অঞ্চল থেকে বহু জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও ডেমরা, যাত্রাবাড়ী ও কদমতলীর সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি। চাঁদাবাজি, জুলুম, লুটতরাজ ও জমিদখল মানুষের জীবনকে নাভিশ্বাস করে তুলেছে। তিনি বলেন, গ্যাস সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে শতভাগ গুণগত মান নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি নারী ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনকে দলীয় দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ইবরাহীম বলেন, তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার জনগণের দোয়া, সমর্থন ও পরামর্শ নিয়ে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত, নিরাপদ, আধুনিক ও মানবিক ঢাকা-৫ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি দেলোয়ার হোসাইন সাকী, ঢাকা-৫ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এইচ মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম শরিয়াতুল্লাহ, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনির হোসাইনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
ঢাকা-৫ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত জনসভা শেষে সারুলিয়ার গরুর হাট এলাকা থেকে শুরু করে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার, অলিগলি ও জনবসতিপূর্ণ বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।















