০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইথান গুলিবিদ্ধের ঘটনায় সন্ত্রাসী আবু হানিফ গ্রেফতার

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • /
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লার কাটাবিল এলাকায় স্কুলছাত্র ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সন্ত্রাসী আবু হানিফ ওরফে অপুকে গ্রেফতার করেছে। তার কাছ থেকে ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ৬ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৪ জুন রাতে কাটাবিল এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে 'অপু গ্রুপ' ও 'সাব্বির গ্রুপ'-এর মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। ২৫ জুন দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে প্রকাশ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ ঘটে, যেখানে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

ঘটনার পর কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযান শুরু হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখা ও থানা পুলিশ কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে এবং একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে।

আবু হানিফের গ্রেফতার কিছুটা সময় নেয়, কারণ তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তবে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ১ জুলাই ২০২৬ রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অস্ত্রের বিষয়ে তথ্য দেন, যার ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার জানান, আবু হানিফের বিরুদ্ধে ২৫টি মামলা রয়েছে এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পৃথক একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইথান গুলিবিদ্ধের ঘটনায় সন্ত্রাসী আবু হানিফ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লার কাটাবিল এলাকায় স্কুলছাত্র ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সন্ত্রাসী আবু হানিফ ওরফে অপুকে গ্রেফতার করেছে। তার কাছ থেকে ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ৬ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৪ জুন রাতে কাটাবিল এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে 'অপু গ্রুপ' ও 'সাব্বির গ্রুপ'-এর মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। ২৫ জুন দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে প্রকাশ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ ঘটে, যেখানে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

ঘটনার পর কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযান শুরু হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখা ও থানা পুলিশ কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে এবং একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে।

আবু হানিফের গ্রেফতার কিছুটা সময় নেয়, কারণ তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তবে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ১ জুলাই ২০২৬ রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অস্ত্রের বিষয়ে তথ্য দেন, যার ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার জানান, আবু হানিফের বিরুদ্ধে ২৫টি মামলা রয়েছে এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পৃথক একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন