০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • /
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বগুড়ার নন্দীগ্রামে শারীরিক প্রতিবন্ধী চাচাতো শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫২ বছর বয়সী মাদরাসা সুপার বাকী বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি গছাইল দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট। গতকাল বুধবার (১ জুলাই) রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাকী বিল্লাহ মাঝেমধ্যেই তার চাচাশ্বশুরের বাড়িতে বেড়াতে যেতেন। গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে ওই বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তিনি তার প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণ করেন। কিছুদিন পর ভুক্তভোগী নারীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।

চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, ওই নারী ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা ২৫ জুন আদালতে একটি মামলা করেন। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ১ জুলাই রাতে নন্দীগ্রাম থানায় মামলাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় এবং রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাকী বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামি বাকী বিল্লাহকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা সুপার গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বগুড়ার নন্দীগ্রামে শারীরিক প্রতিবন্ধী চাচাতো শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫২ বছর বয়সী মাদরাসা সুপার বাকী বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি গছাইল দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট। গতকাল বুধবার (১ জুলাই) রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাকী বিল্লাহ মাঝেমধ্যেই তার চাচাশ্বশুরের বাড়িতে বেড়াতে যেতেন। গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে ওই বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তিনি তার প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণ করেন। কিছুদিন পর ভুক্তভোগী নারীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।

চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, ওই নারী ১৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা ২৫ জুন আদালতে একটি মামলা করেন। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ১ জুলাই রাতে নন্দীগ্রাম থানায় মামলাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় এবং রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাকী বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামি বাকী বিল্লাহকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন