হাতিরঝিলে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অভিযোগ, বিধি লঙ্ঘনের আশঙ্কা
- আপডেট সময় : ০৩:১৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
- / ২

রাজধানীর হাতিরঝিল-সংলগ্ন বীর উত্তম শওকত সড়কে নির্মাণাধীন পাঁচতারকা হোটেল সুইসোটেল ঢাকা প্রকল্পে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অনুমোদিত হোটেল নির্মাণের উদ্দেশ্যে নির্মাণকাজ হলেও প্রকল্পটি বাণিজ্যিক ভবনের আদলে এগোচ্ছে, যা হাতিরঝিলের বিশেষ ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) এবং ২০০৮ সালের ইমারত নির্মাণ বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্মাণাধীন ভবনটির এক পাশে রাজউকের ম্যানেজমেন্ট ভবন এবং অন্য পাশে নিকেতন হাউজিং সোসাইটির ২ নম্বর গেট অবস্থিত। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সুইসোটেলের সঙ্গে পাঁচতারকা হোটেল নির্মাণের চুক্তি করে। ২০১৯ সালের মার্চে বেসমেন্টসহ ২৯ তলা ভবনের নির্মাণ শুরু হয়, যার মোট ফ্লোর এরিয়া রেশিও (ফার) প্রায় ৩৭ হাজার ৩৭৫ বর্গমিটার। রাজউক সূত্র জানায়, হাতিরঝিলের ৩০০ মিটারের মধ্যে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০০৮ সালের ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনুমোদিত উদ্দেশ্য পরিবর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, হোটেল থেকে বাণিজ্যিক ভবনে রূপান্তরের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে রাজউকের জোন-৪ এর অথরাইজড অফিসার মো. হাসানুর রেজা জানান, ভবনের ব্যবহার পরিবর্তনের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো অনলাইন আবেদন পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাবেক সভাপতি ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ‘হোটেলের জন্য নকশা অনুমোদন নিয়ে সেখানে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনা করা হলে তা নির্মাণ বিধিমালার সুস্পষ্ট ব্যত্যয়।’ তিনি রাজউকের তদারকির দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্মাণাধীন ভবনটির এক পাশে রাজউকের ম্যানেজমেন্ট ভবন এবং অন্য পাশে নিকেতন হাউজিং সোসাইটির ২ নম্বর গেট অবস্থিত। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সুইসোটেলের সঙ্গে পাঁচতারকা হোটেল নির্মাণের চুক্তি করে। ২০১৯ সালের মার্চে বেসমেন্টসহ ২৯ তলা ভবনের নির্মাণ শুরু হয়, যার মোট ফ্লোর এরিয়া রেশিও (ফার) প্রায় ৩৭ হাজার ৩৭৫ বর্গমিটার। রাজউক সূত্র জানায়, হাতিরঝিলের ৩০০ মিটারের মধ্যে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০০৮ সালের ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনুমোদিত উদ্দেশ্য পরিবর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, হোটেল থেকে বাণিজ্যিক ভবনে রূপান্তরের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে রাজউকের জোন-৪ এর অথরাইজড অফিসার মো. হাসানুর রেজা জানান, ভবনের ব্যবহার পরিবর্তনের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো অনলাইন আবেদন পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাবেক সভাপতি ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ‘হোটেলের জন্য নকশা অনুমোদন নিয়ে সেখানে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনা করা হলে তা নির্মাণ বিধিমালার সুস্পষ্ট ব্যত্যয়।’ তিনি রাজউকের তদারকির দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।
রাজউক সূত্র জানায়, হাতিরঝিলের ৩০০ মিটারের মধ্যে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০০৮ সালের ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনুমোদিত উদ্দেশ্য পরিবর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, হোটেল থেকে বাণিজ্যিক ভবনে রূপান্তরের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে রাজউকের জোন-৪ এর অথরাইজড অফিসার মো. হাসানুর রেজা জানান, ভবনের ব্যবহার পরিবর্তনের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো অনলাইন আবেদন পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাবেক সভাপতি ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ‘হোটেলের জন্য নকশা অনুমোদন নিয়ে সেখানে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনা করা হলে তা নির্মাণ বিধিমালার সুস্পষ্ট ব্যত্যয়।’ তিনি রাজউকের তদারকির দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।
রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, হোটেল থেকে বাণিজ্যিক ভবনে রূপান্তরের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে রাজউকের জোন-৪ এর অথরাইজড অফিসার মো. হাসানুর রেজা জানান, ভবনের ব্যবহার পরিবর্তনের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো অনলাইন আবেদন পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাবেক সভাপতি ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ‘হোটেলের জন্য নকশা অনুমোদন নিয়ে সেখানে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনা করা হলে তা নির্মাণ বিধিমালার সুস্পষ্ট ব্যত্যয়।’ তিনি রাজউকের তদারকির দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাবেক সভাপতি ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ‘হোটেলের জন্য নকশা অনুমোদন নিয়ে সেখানে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনা করা হলে তা নির্মাণ বিধিমালার সুস্পষ্ট ব্যত্যয়।’ তিনি রাজউকের তদারকির দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।
























