০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

জাতিসংঘের সামনে আত্মদাহের ঘটনা: তিব্বতি নাগরিকের মৃত্যু

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • /
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউইয়র্ক সিটির জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি দিয়েছেন এক তিব্বতি নাগরিক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর তাকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও নিহত ব্যক্তির পরিচয় বা ঘটনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে নির্বাসিত তিব্বতিদের সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব তিব্বত এবং তিব্বতি অধিকারকর্মীরা দাবি করেছেন, নিহত ব্যক্তি লবগা রাংজেন। তিনি তিব্বতের স্বাধীনতা ও ঐক্যের দাবিতে এই আত্মদাহের ঘটনা ঘটান।

রাংজেন পেশায় একজন উবার চালক ছিলেন এবং ঘটনাস্থলে একটি তিব্বতি পতাকা নিয়ে গিয়েছিলেন। তার পরিচিত উবার চালক লোবসাং পালজর জানান, চীনা সরকারের আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধে তিব্বতিদের পরিস্থিতি নিয়ে রাংজেন গভীরভাবে ক্ষুব্ধ ছিলেন।

ঘটনার পর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের সামনে আত্মদাহের ঘটনা: তিব্বতি নাগরিকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউইয়র্ক সিটির জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি দিয়েছেন এক তিব্বতি নাগরিক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর তাকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও নিহত ব্যক্তির পরিচয় বা ঘটনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে নির্বাসিত তিব্বতিদের সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব তিব্বত এবং তিব্বতি অধিকারকর্মীরা দাবি করেছেন, নিহত ব্যক্তি লবগা রাংজেন। তিনি তিব্বতের স্বাধীনতা ও ঐক্যের দাবিতে এই আত্মদাহের ঘটনা ঘটান।

রাংজেন পেশায় একজন উবার চালক ছিলেন এবং ঘটনাস্থলে একটি তিব্বতি পতাকা নিয়ে গিয়েছিলেন। তার পরিচিত উবার চালক লোবসাং পালজর জানান, চীনা সরকারের আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধে তিব্বতিদের পরিস্থিতি নিয়ে রাংজেন গভীরভাবে ক্ষুব্ধ ছিলেন।

ঘটনার পর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন