০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে এফএফডব্লিউসি

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • /
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এফএফডব্লিউসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান বলেন, জলবায়ুগত কারণে এই সময়ে দেশের প্রধান নদীগুলোর অববাহিকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়, যা বন্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

ঐতিহাসিকভাবে, বর্ষা মৌসুমের এই সময়েই দেশে ভয়াবহ বন্যা ঘটে। ১৯৮৮ সালের বন্যায় প্রায় ৮২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছিল এবং ১৯৯৮ সালের বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একই সময়ে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পানির উচ্চপ্রবাহ দেখা দেওয়াই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। সারদার উদয় রায়হান জানান, উপকূলীয় নদীগুলোর জন্য তিনদিন আগে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হলেও অভ্যন্তরীণ নদী অববাহিকার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগে পূর্বাভাস দেওয়া যায়।

এফএফডব্লিউসি’র পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৪ থেকে ৭ জুলাই কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এছাড়া, সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, যা সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত করতে পারে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে এফএফডব্লিউসি

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এফএফডব্লিউসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান বলেন, জলবায়ুগত কারণে এই সময়ে দেশের প্রধান নদীগুলোর অববাহিকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়, যা বন্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

ঐতিহাসিকভাবে, বর্ষা মৌসুমের এই সময়েই দেশে ভয়াবহ বন্যা ঘটে। ১৯৮৮ সালের বন্যায় প্রায় ৮২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছিল এবং ১৯৯৮ সালের বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একই সময়ে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পানির উচ্চপ্রবাহ দেখা দেওয়াই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। সারদার উদয় রায়হান জানান, উপকূলীয় নদীগুলোর জন্য তিনদিন আগে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হলেও অভ্যন্তরীণ নদী অববাহিকার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগে পূর্বাভাস দেওয়া যায়।

এফএফডব্লিউসি’র পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৪ থেকে ৭ জুলাই কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এছাড়া, সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, যা সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত করতে পারে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন