০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

শহীদ পরিবারের সদস্যদের স্মরণে জুলাই জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • /
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকায় ৪ জুলাই শনিবার ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধারা একত্রিত হন। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল শহীদদের স্মরণ করা এবং তাদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো।

সম্মেলনটি সকাল সোয়া ১০টার দিকে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনের মূল মঞ্চে লেখা ছিল, ‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা।’

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণ সভায় শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতারা।

সম্মেলনে অংশ নিয়ে শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, ‘আমার ছোট ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার আত্মত্যাগ সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছিল।’ নিহত ১৫ বছর বয়সি আলভীর বাবা আবুল হাসান এবং শহীদ ওয়াসিমের বাবা শফিক আলমও বিচারহীনতার শঙ্কা প্রকাশ করেন।

এছাড়া, সম্মেলনে ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়, যেখানে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী সরকারের পতনে রূপ নেয়। সরকার গেজেট আকারে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন উল্লেখ করেছে, তবে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ পরিবারের সদস্যদের স্মরণে জুলাই জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকায় ৪ জুলাই শনিবার ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধারা একত্রিত হন। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল শহীদদের স্মরণ করা এবং তাদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো।

সম্মেলনটি সকাল সোয়া ১০টার দিকে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনের মূল মঞ্চে লেখা ছিল, ‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা।’

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণ সভায় শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতারা।

সম্মেলনে অংশ নিয়ে শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, ‘আমার ছোট ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার আত্মত্যাগ সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছিল।’ নিহত ১৫ বছর বয়সি আলভীর বাবা আবুল হাসান এবং শহীদ ওয়াসিমের বাবা শফিক আলমও বিচারহীনতার শঙ্কা প্রকাশ করেন।

এছাড়া, সম্মেলনে ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়, যেখানে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী সরকারের পতনে রূপ নেয়। সরকার গেজেট আকারে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন উল্লেখ করেছে, তবে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন