০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইলে বিধবা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ১১
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর পারভীন আক্তার (৪৬) নামে এক বিধবা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জুলাই) সকালে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেইটের দক্ষিণে তার বাসার পাশে একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পারভীন আক্তার মৃত হুমায়ন খানের স্ত্রী এবং তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তার ছেলে ঢাকার সাভারে চাকরি করেন এবং মেয়েকে দুই মাস আগে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। পারভীন একাই বাসায় থাকতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২৯ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার ছেলে সোহেল রানা ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে সর্বশেষ কথা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ফাহাদসহ পরিবারের সদস্যরা তার ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কিন্তু তিনি কল রিসিভ করেননি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফাহাদ ঢাকা থেকে ফিরে সখীপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। এরপর থেকে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির কাজ শুরু করেন। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ছেলে সোহেল রানা ফাহাদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি দায়ীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বাসাইল-সখীপুর ইনচার্জ এ কে এম মামুনুর রশিদ জানান, লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দায়ীদের সনাক্তকরণের কাজ চলছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে বিধবা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর পারভীন আক্তার (৪৬) নামে এক বিধবা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জুলাই) সকালে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেইটের দক্ষিণে তার বাসার পাশে একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পারভীন আক্তার মৃত হুমায়ন খানের স্ত্রী এবং তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তার ছেলে ঢাকার সাভারে চাকরি করেন এবং মেয়েকে দুই মাস আগে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। পারভীন একাই বাসায় থাকতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২৯ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার ছেলে সোহেল রানা ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে সর্বশেষ কথা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ফাহাদসহ পরিবারের সদস্যরা তার ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কিন্তু তিনি কল রিসিভ করেননি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফাহাদ ঢাকা থেকে ফিরে সখীপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। এরপর থেকে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির কাজ শুরু করেন। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ছেলে সোহেল রানা ফাহাদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি দায়ীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বাসাইল-সখীপুর ইনচার্জ এ কে এম মামুনুর রশিদ জানান, লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দায়ীদের সনাক্তকরণের কাজ চলছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন