০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, ১২ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • /
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রের লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর ৯ থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

এবার মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের, ৯২ হাজার ৯০৫ জন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এবং ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৪৭২ জন বেড়েছে।

দেশের ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টি কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ৩৫ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২০২৬ সালের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস বা জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, সরকার একটি সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নৈতিক শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা সমান গুরুত্ব পাবে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই এবং সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটে, তাহলে ওই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, ১২ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে

আপডেট সময় : ০৪:১৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রের লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর ৯ থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

এবার মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের, ৯২ হাজার ৯০৫ জন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এবং ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৪৭২ জন বেড়েছে।

দেশের ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টি কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ৩৫ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২০২৬ সালের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস বা জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, সরকার একটি সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নৈতিক শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা সমান গুরুত্ব পাবে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই এবং সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটে, তাহলে ওই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন