০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ধরলা নদীর স্রোতে ফুলবাড়ীতে কালভার্ট ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • /
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর তীব্র স্রোতে চরগোরকমন্ডল এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কালভার্ট ধসে পড়েছে। এতে প্রায় ৫০ ফুট সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, ফলে গত চার দিন ধরে তিনটি আবাসনের বাসিন্দাসহ অন্তত পাঁচ শতাধিক পরিবারের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সোমবার গভীর রাতে কালভার্টটি ধসে পড়ে। কালভার্টের দুই পাশের সড়কও ভেঙে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়, যার ফলে মোটরসাইকেল, ভ্যান, অটোরিকশাসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। আব্দুল ছালাম, রমজান আলী ও ছাইদুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে সাইকেল কাঁধে নিয়ে কোমরসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।” তারা দ্রুত সড়কটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানান।

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান, কালভার্ট ধসের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সিরাজ দৌল্লা বলেন, চলতি অর্থবছরে এ প্রকল্পের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই, তবে নতুন বরাদ্দ পেলে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলারা আক্তার বলেন, বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে এবং তিনি সরেজমিনে পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধরলা নদীর স্রোতে ফুলবাড়ীতে কালভার্ট ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর তীব্র স্রোতে চরগোরকমন্ডল এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কালভার্ট ধসে পড়েছে। এতে প্রায় ৫০ ফুট সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, ফলে গত চার দিন ধরে তিনটি আবাসনের বাসিন্দাসহ অন্তত পাঁচ শতাধিক পরিবারের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সোমবার গভীর রাতে কালভার্টটি ধসে পড়ে। কালভার্টের দুই পাশের সড়কও ভেঙে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়, যার ফলে মোটরসাইকেল, ভ্যান, অটোরিকশাসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। আব্দুল ছালাম, রমজান আলী ও ছাইদুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে সাইকেল কাঁধে নিয়ে কোমরসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।” তারা দ্রুত সড়কটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানান।

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান, কালভার্ট ধসের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সিরাজ দৌল্লা বলেন, চলতি অর্থবছরে এ প্রকল্পের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই, তবে নতুন বরাদ্দ পেলে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলারা আক্তার বলেন, বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে এবং তিনি সরেজমিনে পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন